স্বাস্থ্যকথা




Recent Articles

অধিকাংশ ইনফেকশনজনিত রোগের ক্ষেত্রেই জ্বর হচ্ছে অন্যতম উপসর্গ। অনেকেরই হয়তো জানা আছে জ্বর কোনো রোগ নয়, জ্বর হচ্ছে রোগের একটি উপসর্গ। এই জ্বর নিয়ে ভুল ধারণা অনেক।
একেবারে ফিট থাকতে গেলে কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। সুস্থ শরীর তার সঙ্গে শান্তিময় জীবন লাভ করতে কে না চায়। কিন্তু বিশৃঙ্খলার আড়ালে জীবনটাই এলোমেলো হয়ে যায়। থাকে না শান্তি, থাকে না স্ব্বস্তি। সুস্থ থাকার কিছু সূত্র আছে। সেগুলো কী তা জেনে নিই।

কৃত্রিম শুক্রাণু এবার গবেষণাগারেই

স্পার্ম বা শুক্রাণু কৃত্রিমভাবে গবেষণাগারেই তৈরি করতে সফল হলেন বিজ্ঞানীরা। এর ফলে আগামী দিনে পুরুষদের বন্ধ্যত্ব দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিত্সা অনেক সহজ হবে বলে দাবি করেছেন তারা। ইংল্যান্ডের নিউক্যাসলের একটি গবেষণাগারে অ্যামব্রায়োনিক স্টেম সেল থেকে এ মানব শুক্রাণু তৈরি সম্ভব হয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। বৃদ্ধির প্রথম পর্যায়ে থাকা এই শুক্রাণুগুলো ভিটামিন ‘এ’ থেকে আহরিত রেটিনয়িক অ্যাসিডকে (Retinoic Acid) মানবদেহের অ্যামব্রায়োনিক স্টেম সেলের সঙ্গে ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে।

**************************
দৈনিক আমার দেশ, ৫ ডিসেম্বর ২০১০।

ক্লান্তি দূর করতে উষ্ণ পানিতে গোসল

পানি নামক প্রকৃতির এ অমূল্য উপাদানটির আরেক নাম জীবন। পানি না থাকলে পৃথিবীতে প্রাণী জগতের কোনো অস্তিত্বই থাকত না। পানির অভাবে সারা জগতে হাহাকার পড়ে যায়। জীবকুলের জীবনদায়ী ওষুধ হলো পানি। পানি শুধু আমাদের তৃষ্ণাই মেটায় না, তার সঙ্গে শারীরিক ক্লান্তিও দূর করে। আয়ুর্বেদে পানির নানা গুণের বিবরণ রয়েছে। পেটের যন্ত্রণা থেকে শুরু করে মাথা যন্ত্রণা সবই ওষুধের কাজ করে পানি। শীতল পানি যেমন তীব্র গরমে আমাদের পিপাসার্থ হৃদয়কে পরিতৃপ্তি দেয়। সেরকম উষ্ণ পানিরও চরম শক্তি রয়েছে। উষ্ণ পানিতে যদি গোসল করা যায় তাহলে শরীরের সব ক্লান্তিই নিঃশেষ হয়ে যাবে। শরীর ও মন স্বতঃস্ফূর্ত হবে। পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ তো উষ্ণ পানিতেই গোসল করেন। তাছাড়া বিশ্বের সব দেশেই গরম পানির গোসলের প্রচলন রয়েছে। তাই তো আধুনিক চিন্তাধারায় নির্মিত হয়েছে হট টব বাথ। তবে বাথ টব কোনো নতুন ধারণা নয়। ইতিহাসের পাতা উল্টালে বাথ টব অর্থাত্ বাংলায় যাকে বলে স্নানাগার তার অনেক নমুনাই পাওয়া যাবে।

**************************
গ্রন্থনা : আমার স্ব্বাস্থ্য ডেস্ক
দৈনিক আমার দেশ, ৫ ডিসেম্বর ২০১০।

ভিটামিন ‘সি’-এর কার্যক্ষমতা

প্রয়োজনীয় মাত্রার ভিটামিন ‘সি’ ধূমপানজনিত ক্ষতি কমাবে। ক্যান্সারের ওপর খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব নিয়ে এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে। স্বাভাবিক অবস্থায় গড়ে প্রতি মানুষের রক্তে ভিটামিন ‘সি’-এর মাত্রা থাকে ৫০ মাইক্সোমোল/লিটার। কিন্তু শতকরা ২০ ভাগ মানুষের রক্তে এর মাত্রা থাকে মাত্র ২০ মাইক্সোমোল/লিটার। ধূমপান শ্বাসকষ্ট, শ্বাসনালী বন্ধ, ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো মারাত্মক সব অসুখের জন্য দায়ী। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা দেখাচ্ছেন রক্তে এই ভিটামিনের মাত্রা ২০ মাইক্সোমোল/লিটার বাড়িয়ে দিতে পারলে এ ক্ষতি কমিয়ে আনা যাবে অর্ধেকে। ভিটামিন ‘সি’ ধূমপায়ীদের নির্গত ফ্রি রেডিক্যালকে নিষ্ক্রিয় করে।

**************************
দৈনিক আমার দেশ, ৫ ডিসেম্বর ২০০৯।
No articles found.


No popular authors found.