<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
		<rss version="2.0">
		  <channel>
				<title><![CDATA[স্বাস্থ্যকথা - Articles - খাদ্য ও পুষ্টি]]></title>
				<link>http://healthz.info</link>
				<description />
				<language>en-us</language>
				<copyright><![CDATA[http://healthz.info]]></copyright>
				<generator>N/A</generator>
				<webMaster>admin@amardesh.com</webMaster>
				<lastBuildDate>Sat, 31 Jul 2010 01:22:43 UTC</lastBuildDate>
			
				<ttl>20</ttl>

					<item>
					  <title><![CDATA[ভুল ভেঙে দাও ভুল জেনে নাও : মুরগির না হাঁসের ডিম কোনটি ভালো?]]></title>
					  <link>http://healthz.info/articles/2241/1/aaa-aaaa-aaa-aaa-aaaa-aaa--aaaaaa-aa-aaaaaa-aaa-aaaaa-aaaa/Page1.html</link>
					  <description><![CDATA[ডিম আমাদের একটি প্রিয় খাবার। সন্দেহাতীতভাবে ডিম একটি পুষ্টিকর খাবার। হঠাত্ অতিথি আপ্যায়নে আমাদের দেশে ডিমের কদর অনেক আগে থেকেই। ]]></description>
					  <author>no@spam.com (Health Info)</author>
					  <pubDate>Sat, 08 May 2010 04:53:01 UTC</pubDate>
					 <guid isPermaLink="true">http://healthz.info/articles/2241/1/aaa-aaaa-aaa-aaa-aaaa-aaa--aaaaaa-aa-aaaaaa-aaa-aaaaa-aaaa/Page1.html</guid>
					</item>

				

					<item>
					  <title><![CDATA[মাছ খেলে ইসকেমিক হৃদরোগের সম্ভাবনা হ্রাস পায়]]></title>
					  <link>http://healthz.info/articles/2330/1/aaa-aaaa-aaaaaaa-aaaaaaaaa-aaaaaaaa-aaaaa-aaa/Page1.html</link>
					  <description><![CDATA[নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট পরিমাণে মাছ খেলে তাতে ইসকেমিক স্ট্রোকের সম্্‌ভাবনা কমে যায়। বিশেষ করে মাসে অন্তত দু&#8217;বার সামুদ্রিক মাছ খেলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসে। শিকাগোর নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির কয়েকজন প্রফেসর সম্প্রতি এক গবেষণায় এটি প্রমাণ করেছেন। ইসকেমিক স্ট্রোক মূলত মি-ষ্ড়্গে রক্ত প্রবাহের পথটি ব্লক করে দিয়ে রক্ত সঞ্চালণের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্র- করে। সামুদ্রিক মাছে থাকা কিছু খণিজ উপাদান, যা এই ব্লক তৈরি হতে দেয় না। তবে অতিরিক্ত তৈলাক্ত মাছ খেলে আবার হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই তৈলাক্ত মাছ বিশেষ করে পাঙ্গাসের পেটি, ইলিশের পেটি এবং চিংড়ীর মগজ পরিহার করা ভালো। এছাড়া ফ্রাই করা মাছ বা মাছ ভাজা খেতে পছন্দ করেন অনেকে। ফ্রাই ফিস যথাসম্্‌ভব কম খাওয়া ভালো। কারণ তেলে ভাজার কারণে মাছে স্বাভাবিক চর্বির চেয়ে অনেক বেশী চর্বি পাওয়া যায় যা হৃদরোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। <br/><br/>************************** <br/>দৈনিক ইত্তেফাক, ৬ মার্চ ২০১০।]]></description>
					  <author>no@spam.com (Health Info)</author>
					  <pubDate>Sat, 08 May 2010 04:38:09 UTC</pubDate>
					 <guid isPermaLink="true">http://healthz.info/articles/2330/1/aaa-aaaa-aaaaaaa-aaaaaaaaa-aaaaaaaa-aaaaa-aaa/Page1.html</guid>
					</item>

				

					<item>
					  <title><![CDATA[ভেষজ গুণাগুণ : নারকেল শরীরের জন্য উপকারী]]></title>
					  <link>http://healthz.info/articles/2277/1/aaaa-aaaaaaa--aaaaaa-aaaaaa-aaaa-aaaaaa/Page1.html</link>
					  <description><![CDATA[শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ায় না, শরীরের জন্যও নারকেল উপকারী। &#8212; বাদাম, আখরোট এবং মিশ্রির সঙ্গে নারকেল মিশিয়ে খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। &#8212; নাক দিয়ে রক্ত পড়লে ডাবের পানি রোজ খাওয়া উচিত। এর সঙ্গে খালি পেটে নারকেল খেলেও নাক দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায়। &#8212; নারকেলের পানি শসার রসের সঙ্গে মিশিয়ে সকাল-সন্ধ্যা নিয়মিত মুখে লাগালে ত্বক পরিষ্কার হয়। চেহারার জৌলুস বাড়ে। &#8212; রাতে খাওয়ার পরে প্রতিদিন আধাগ্লাস নারকেলের পানি পান করা উচিত। এতে ঘুম ভালো হবে। &#8212; নারকেলের মধ্যে বাদাম পেষা মিশিয়ে মাথায় লাগানো ভালো। মাথা যন্ত্রণা কমে যায়। &#8212; নারকেল তেলের মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে চুলে লাগালে খুশকি দূর হয়ে যায়। &#8212; গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ৫০ গ্রাম নারকেল খাওয়া সন্তানের পক্ষে ভালো। এতে সন্তানের গায়ের রঙ ফর্সা হয়। &#8212; পেটের কৃমি দূর করতে প্রতিদিন সকালে নাস্তার পর এক চামচ নারকেল খান। এতে পেটের কৃমি দূর হয়ে যাবে। <br/><br/>************************** <br/>দৈনিক আমার দেশ, ২৩ র্মাচ ২০১০।]]></description>
					  <author>no@spam.com (Health Info)</author>
					  <pubDate>Sat, 08 May 2010 04:15:07 UTC</pubDate>
					 <guid isPermaLink="true">http://healthz.info/articles/2277/1/aaaa-aaaaaaa--aaaaaa-aaaaaa-aaaa-aaaaaa/Page1.html</guid>
					</item>

				

					<item>
					  <title><![CDATA[খাদ্য নিয়ে যতকথা]]></title>
					  <link>http://healthz.info/articles/2323/1/aaaaa-aaaa-aaaaa/Page1.html</link>
					  <description><![CDATA[খাদ্য নিয়ে অনেক কথা বলছেন অনেকে। লেখালেখিও হচ্ছে প্রচুর। কারণ আজকালকার যে অসুখ-বিসুখ একে মোকাবেলার জন্য খাদ্য বিধিতে পরিবর্তন আনা জরুরী বলে মনে হচ্ছে। পরিবর্তন করে লাভ হচ্ছে। এজন্য এদিকে নজর পড়ছে চিকিৎসকদের। সম্প্রতি একটি বই বেরিয়েছে ক্যালোফনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক মাইকেল পোলানের, &#8216;Food rules, an Eater&#8217;s Mannual&#8217;প্রাণরসায়নবিদ বা পুষ্টিবিদ না হলেও পোলান একটি চমৎকার বই লিখেছেন সবার জন্য। আরও দুটো ভালো বই লিখেছেন তিনি। 'Indefense of food: An eatir&#8217;s Manifestu&#8217; Ges 'The Omnivore&#8217;s dilema. তিনটি বইই প্রকাশিত হয়েছে পেঙ্গুইন থেকে। ১৩৯ পৃষ্ঠার বই Food rules পড়ার মত বই। ]]></description>
					  <author>no@spam.com (Health Info)</author>
					  <pubDate>Sat, 08 May 2010 03:47:17 UTC</pubDate>
					 <guid isPermaLink="true">http://healthz.info/articles/2323/1/aaaaa-aaaa-aaaaa/Page1.html</guid>
					</item>

				

					<item>
					  <title><![CDATA[ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে বেদানা]]></title>
					  <link>http://healthz.info/articles/2256/1/aaaaaaa-aaaaaaaaa-aaaaaaaaa-aaaaaa/Page1.html</link>
					  <description><![CDATA[বেদানা শুধু শরীরে রক্তের মাত্রা বাড়ায় না, তা মহিলাদের শরীরে ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষমতা জোগায়। সম্প্রতি এক গবেষণায় এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আমেরিকার একটা সংস্থা এ নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করছিল। ওই সংস্থা তাদের গবেষণালব্ধ রিপোর্টে জানিয়েছে, বেদানার মধ্যে এমন কিছু তত্ত্ব মজুত রয়েছে যা ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। বেদানার মধ্যে এমন তত্ত্ব রয়েছে যা মূলত এরোমোটজ এনজাইমের প্রভাবকে নষ্ট করে দেয়। এই এরোমোটেজ এনজাইম মহিলাদের শরীরে এন্ড্রোজেন হরমোনকে এস্ট্রোজেনে হরমনে রূপান্তরিত করে। এস্ট্রোজেন হরমনের কারণেই প্রধানত ব্রেস্ট ক্যান্সার হয়। গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, বেদানার মধ্যে এরোমোটেজ রয়েছে, যা মহিলাদের শরীরে ফটোকেমিক্যালস এরোমোটেজের প্রভাব নষ্ট করে দেয়। ফলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এছাড়া বেদানার মধ্যে ১০টা প্রাকৃতিক তত্ত্ব মজুত রয়েছে, যা ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম। তাই ব্রেস্ট ক্যান্সার এড়িয়ে চলতে হলে প্রতিদিন বেদানা খান। <br/><br/>************************** <br/>দৈনিক আমার দেশ, ০২ র্মাচ ২০১০।]]></description>
					  <author>no@spam.com (Health Info)</author>
					  <pubDate>Sat, 08 May 2010 02:51:29 UTC</pubDate>
					 <guid isPermaLink="true">http://healthz.info/articles/2256/1/aaaaaaa-aaaaaaaaa-aaaaaaaaa-aaaaaa/Page1.html</guid>
					</item>

				

					<item>
					  <title><![CDATA[তাজা ফল কেন খাবেন]]></title>
					  <link>http://healthz.info/articles/2268/1/aaaa-aa-aaa-aaaaa/Page1.html</link>
					  <description><![CDATA[গ্রীষ্মকালীন সময়ে বাজার জুড়ে থাকে শুধু ফল আর ফল। এ সময়কার ফলগুলো হলো তরমুজ, লিচু, আম, জাম, কাঁঠাল, আনারস, বেল, আখ, পানি ফল, নাশপাতি ইত্যাদি। কলা, পেঁপে সারা বছরই পাওয়া যায়। গরমে প্রচুর ফল খান এবং দেহে সঞ্চয় করুন ভিটামিন ও খাদ্যশক্তি। ]]></description>
					  <author>no@spam.com (Health Info)</author>
					  <pubDate>Sat, 08 May 2010 02:15:10 UTC</pubDate>
					 <guid isPermaLink="true">http://healthz.info/articles/2268/1/aaaa-aa-aaa-aaaaa/Page1.html</guid>
					</item>

				

					<item>
					  <title><![CDATA[রঙিন ফল ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়]]></title>
					  <link>http://healthz.info/articles/2337/1/aaaa-aa-aaaaaaaaaaa-aaaaa-aaaa/Page1.html</link>
					  <description><![CDATA[টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে ফলের রস নয়,আ- ফল উপকারী। কারণ আ- ফলে যে আঁশ (Fiber) থাকে তা রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এক দীর্ঘমেয়াদী সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে সকল মহিলা দিনে তিনবার আ- ফল খেয়েছেন তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ১৮% কম। অন্যদিকে যারা এক বা দু&#8217;বার স্পিনাচ (Spinace), কেল (Kale) অথবা এ ধরনের সবুজ পাতাযুক্ত সবজি খেয়েছেন তাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৯০% কম। সুতরাং ডায়াবেটিসের ঝঁুকি থেকে রক্ষা পেতে হলে বেশি করে ফল ও সবজি খান। <br/><br/>************************** <br/>দৈনিক ইত্তেফাক, ৬ মার্চ ২০১০।]]></description>
					  <author>no@spam.com (Health Info)</author>
					  <pubDate>Sat, 08 May 2010 02:11:47 UTC</pubDate>
					 <guid isPermaLink="true">http://healthz.info/articles/2337/1/aaaa-aa-aaaaaaaaaaa-aaaaa-aaaa/Page1.html</guid>
					</item>

				

					<item>
					  <title><![CDATA[কেমন চাই মস্তিস্কের খাদ্য]]></title>
					  <link>http://healthz.info/articles/2373/1/aaaa-aaa-aaaaaaaaaa-aaaaa/Page1.html</link>
					  <description><![CDATA[মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকা নিয়ে কতসব আয়োজন। কত বাহারি সব খাবারের মেনু। হার্ট সুস্থ রাখতে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখতে কি ধরণের খাবার খেতে হবে তা অনেকেই জানেন। কিন্তু মানুষের শরীরের অন্যতম ভাইটাল অরগান ব্রেইন বা মস্তিস্কের জন্য বিশেষ কিছু খাবার দরকার, যা মস্তিস্কেককে সচল ও কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীদের মতে মাত্র ৩ পাউন্ড ওজনের ব্রেইন আমাদের শরীরের মোট পানকৃত পানীয়ের ২৫ ভাগ মস্তিস্ক ব্যবহার করে। আর কেবলমাত্র পরিমানমত পানি পান করে মস্তিস্কের শক্তি যেমন বাড়ানো যায় তেমনি চিন্তা শক্তিও বাড়ে আনুপাতিকভাবে। মস্তিস্কের অপর অন্যতম খাবার হচ্ছে গ্লুকোজ। যা আমরা পেয়ে থাকি শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থেকে। তাবে মস্তিস্কের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে স্ট্রেস বা প্রবল মানসিক চাপ।]]></description>
					  <author>no@spam.com (Health Info)</author>
					  <pubDate>Fri, 07 May 2010 23:19:33 UTC</pubDate>
					 <guid isPermaLink="true">http://healthz.info/articles/2373/1/aaaa-aaa-aaaaaaaaaa-aaaaa/Page1.html</guid>
					</item>

				

					<item>
					  <title><![CDATA[ক্যান্সার প্রতিরোধে ও সজীব নিশ্বাসের জন্য চা]]></title>
					  <link>http://healthz.info/articles/1988/1/aaaaaaaaa-aaaaaaaaaa-a-aaaa-aaaaaaaaa-aaaa-aa/Page1.html</link>
					  <description><![CDATA[চা নিঃশ্বাসকে সতেজ করে তোলে এবং মুখের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন নিউইয়র্ক পেস ইউনিভার্সিটির গবেষক মিলটন। সবুজ চা ভাইরাসের বিরুদ্ধে টুথপেস্ট ও মাউথওয়াশের কার্যকারিতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়। দেখা গেছে, সবুজ চায়ের নির্যাস ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রায় ১শ&#8217; ভাগ কার্যকর।]]></description>
					  <author>no@spam.com (Health Info)</author>
					  <pubDate>Mon, 30 Nov 2009 14:02:26 UTC</pubDate>
					 <guid isPermaLink="true">http://healthz.info/articles/1988/1/aaaaaaaaa-aaaaaaaaaa-a-aaaa-aaaaaaaaa-aaaa-aa/Page1.html</guid>
					</item>

				

					<item>
					  <title><![CDATA[স্বাস্থ্য তথ্যঃ হিপের ভাঙনে শাকসবজির যাদুকরী ফলাফল]]></title>
					  <link>http://healthz.info/articles/1990/1/aaaaaaaaa-aaaaa-aaaaa-aaaaa-aaaaaaaa-aaaaaaa-aaaaa/Page1.html</link>
					  <description><![CDATA[ভাল হাড়ের জন্য চাই প্রচুর ভিটামিন-কে, আর এরকম প্রচুর ভিটামিন-কে পাবেন সবুজ শাকসবজিতে। হার্ভার্ড-এর একদল বিজ্ঞানী দেখেন যে, হিফ জয়েন্ট ভাঙনে যে প্রচুর ভিটামিন-কে-এর প্রয়োজন তা আপনি অর্ধকাপ গাঢ় সবুজ শাকসবজিতে পাচ্ছেন। তারা গবেষণায় ৭৩,০০০ মহিলাকে ভিটামিন-কে দিয়ে এরকম একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। এসব মহিলার প্রত্যেককে ১০৯ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-কে দেন প্রতিদিন (যা কিনা সহজেই গাঢ় সবুজ শাকসবজিতে পাওয়া যায়) এবং ১০ বছরের অধিক এই গবেষণায় লক্ষ্য করেন যে, শতকরা ৩০ ভাগেরও কম মহিলা হিপের ভাঙনে আক্রান্ত হন। মূলত ভিটামিন-কে এই কাজটি নিজে নিজে করতে পারে না। এই ভিটামিন অস্টিওক্যালসিন নামক এক ধরনের অস্থিপ্রোটিনকে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটানোর মাধ্যমে হাড়ের গঠনে সাহায্য করে এবং হাড়কে শক্ত রাখে। যদিও এটা নিশ্চিত যে হাড়ের গঠনে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি অত্যাবশ্যক কিন্তু ভিটামিন-কে-এর অভাবে অস্টিওক্যালসিন ঠিকমতো কাজ করতে পারে না অস্থির উপর, ফলে হাড় থাকে খুব দুর্বল। প্রতিদিন সবুজ শাকসবজি খান, যা কিনা ভিটামিন-কে-এর উত্তর উৎস-আর রক্ষা করে হাড়কে সব ধরনের ভাঙন থেকে।]]></description>
					  <author>no@spam.com (Health Info)</author>
					  <pubDate>Mon, 30 Nov 2009 13:53:16 UTC</pubDate>
					 <guid isPermaLink="true">http://healthz.info/articles/1990/1/aaaaaaaaa-aaaaa-aaaaa-aaaaa-aaaaaaaa-aaaaaaa-aaaaa/Page1.html</guid>
					</item>

				
				  </channel>
				</rss>
			