- Home
- শারিরিক ও মানসিক ফিটনেস
- সুস্বাস্থ্যের জন্য হাঁটা
সুস্বাস্থ্যের জন্য হাঁটা
- By Health Info
- শারিরিক ও মানসিক ফিটনেস
- Unrated
নিয়মিত ব্যায়াম শরীরের জন্য উপকারী। সবচেয়ে সহজ, সস্তা, জনপ্রিয় এবং নিরাপদ ব্যায়াম হচ্ছে হাঁটা। হাঁটার স্বাস্থ্য সুবিধা অনেক। হাঁটা রক্তচাপ কমায়, হ্নদরোগের ঝুঁকি কমায়, মেদ কমায়, রক্তের সুগার কমায়। ভাল কলেষ্টেরল এইচডিএল বাড়ায় আর মন্দ কলেষ্টেরল এলডিএল কমায়। রক্তনালীর দেয়ালে চর্বি জমতে দেয় না, অ্যাথেরোসক্লেরোসিস প্রতিরোধ করে। হাঁটলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কমে। ডায়াবেটিস হয়ে থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাঁটা যথেষ্ট উপকারী। হাঁটার ফলে পেশীর শক্তি বাড়ে, শরীরের ওজন ঠিক থাকে আর শরীর থাকে ফিট। হাঁটা হ্নদযন্ত্র ও ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। ষিণ্নতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়ও হাঁটা উপকারী।
হাঁটার উপকার পেতে অবশ্যই সপ্তাহে অন্তত তিন বা চার দিন হাঁটতে হবে, হাঁটতে হবে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট ধরে। হাঁটতে হবে যথেষ্ট দ্রুত যেন শরীর ঘামে। আপনি দৈনিক যত বেশি হাঁটবেন, মনে হবে আপনি ততই বেশি ভাল আছেন। ভাল থাকার ব্যাপারে আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে।
হাঁটার ব্যাপারে কিছু টিপসঃ
১. হাঁটা শুরু করার প্রথম ৫-১০ মিনিট এবং শেষের ৫-১০ মিনিট আস্তে হেঁটে আপনার শরীরকে ওয়ার্ম আপ ও ওয়ার্ম ডাইন করুন। ট্রেন চলার ন্যায়।
২. হাঁটার পূর্বে ও পরে একটু পানি পান করুন।
৩. খাওয়ার পরপরই হাঁটবেন না। ৪৫ মিনিট থেকে ৬০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
৪. দুপুরের ভরা রোদে হাঁটবেন না। সকাল বা বিকালের একটি সময় বেছে নিন।
৫. হাঁটা শেষ করে এক থেকে দুই ঘন্টার মধ্যে কিছু খেয়ে নিন।
কিন্তু আসলে আমাদের হাঁটা উচিত সুস্থ থাকা অবস্থা থেকেই -হাঁটাকে রোগ প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসাবে মনে করে। হাঁটতে হবে নিয়মিত। সুস্থ থাকব তবে।
**************************
ডাঃ মো: শহীদুল্লাহ,
সহযোগী অধ্যাপক, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ,
কমিউনিটি বেজড্ মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ।
e-mail: drshahidcm @gmail. com
দৈনিক ইত্তেফাক, ০৮ নভেম্বর ২০০৮