ব্রণ সাধারণত টিনএজ বা প্রাপ্ত বয়স্কদের সাধারণ ত্বকের সমস্যা, যা তরুণীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এ সমস্যা মুখে, ঘাড়ে, কাঁধে, বুকে ও পিঠে হতে পারে।
ত্বকের নিচে অবস্হিত তেল গ্রন্হির নিঃসরণ বেড়ে গেলে তার চার পাশে অবস্হিত ব্যাকটেরিয়া বা অন্য কোনো কারণে তৈলাক্ত নালী বন্ধ হয়ে গেলে নালীর মধ্যে নিঃসৃত পদার্থ জমা হয়ে ব্রণ তৈরি করে, যা সাধারণত ব্লাক ও হোয়াইট হেড হিসেবে থাকে না, মাঝে-মধ্যে লাল আভাযুক্ত ফুসকুড়ি অনেকটা অংশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক সময় পুঁজ জমে ও ব্যথাও হয়। মুখমন্ডলের ত্বকে এ জাতীয় ব্রণ সবচেয়ে বেশি সমস্যার সৃষ্টি করে।
কারণগুলো
বয়ঃস্বন্ধিকালে সেক্স হরমোনের আধিক্য।
মানসিক দুশ্চিন্তা।
মাসিক শুরুর এক সপ্তাহ আগে বা পরে গর্ভাবস্হায় হরমোনের মাত্রার পরিবর্তন।
জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা পিল-যেসব পিলে প্রজেষ্টরন মাত্রা বেশি থাকে।
ষ্টোরয়েড হরমোন, খিঁচুনি, মানসিক রোগের ওষুধ এবং টিবির ওষুধ যেমন আইসনযয়েত।
হাতের উপর মুখ রেখে ঘুমানো।
তৈলাক্ত ত্বকের যত্ম না নিলে এ ধরনের ত্বকে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা খুব বেশি হয়। তবে নিয়মিত যত্ম নিলে ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে, সে ক্ষেত্রে ডিপ ক্লিনজিংয়ের ভুমিকা খুবই গুরুত্বপুর্ণ।
চকলেট বা চর্বি জাতীয় খাদ্য বা অন্য কোনো খাদ্যে ব্রণ হয় না। ত্বক চুলকানো বা খোঁটাখুঁটি করলে ব্রণে ইনফেকশন হয়ে দাগের সৃষ্টি হয়। তাছাড়া তৈলাক্ত ক্রিম, লোশন বা মেকআপ ব্যবহার না করা উচিত।
আত্মসচেতনতার মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ বা চিকিৎসা অধিকাংশ ক্ষেত্রে সম্ভব। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।
**************************
আমার দেশ, ১৮ নভেম্বর ২০০৮।