স্বাস্থ্যকথা - http://healthz.info
মূত্রপথের সংক্রমণ হলে কী করবেন
http://healthz.info/articles/1875/1/aaaaaaaaa-aaaaaaa-aaa-aa-aaaaa/Page1.html
Health Info
 
By Health Info
Published on 09/13/2009
 
ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ওষুধ দ্বারা ইউটিআই বা মূত্রপথের সংক্রমণের চিকিৎসা করা হয়। ওষুধ নির্বাচন এবং চিকিৎসার মেয়াদ নির্ভর করে রোগীর ইতিহাস ও প্রস্রাব পরীক্ষার ওপর। প্রস্রাব পরীক্ষায় কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া ধরা পড়লে তার চিকিৎসা করা হয়। সবচেয়ে কার্যকর ওষুধটি নির্বাচন করার জন্য সেনসিটিভিটি পরীক্ষা বিশেষ সহায়ক। জটিলতাহীন ইউটিআই’র চিকিৎসায় সচরাচর যে ওষুধগুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলো হচ্ছে­ ট্রাইমেথোপ্রিম, ট্রাইমেথোপ্রিম/ সালফামেথোক্সাজল, এমোক্সিসিলিন, নাইট্রোফুরানটয়েন এবং এমপিসিলিন।

মূত্রপথের সংক্রমণ হলে কী করবেন

ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ওষুধ দ্বারা ইউটিআই বা মূত্রপথের সংক্রমণের চিকিৎসা করা হয়। ওষুধ নির্বাচন এবং চিকিৎসার মেয়াদ নির্ভর করে রোগীর ইতিহাস ও প্রস্রাব পরীক্ষার ওপর। প্রস্রাব পরীক্ষায় কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া ধরা পড়লে তার চিকিৎসা করা হয়। সবচেয়ে কার্যকর ওষুধটি নির্বাচন করার জন্য সেনসিটিভিটি পরীক্ষা বিশেষ সহায়ক। জটিলতাহীন ইউটিআই’র চিকিৎসায় সচরাচর যে ওষুধগুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলো হচ্ছে­ ট্রাইমেথোপ্রিম, ট্রাইমেথোপ্রিম/ সালফামেথোক্সাজল, এমোক্সিসিলিন, নাইট্রোফুরানটয়েন এবং এমপিসিলিন।

যদি সংক্রমণ মূত্রপথে প্রতিবন্ধকতা বা স্নায়ুতন্ত্রের অস্বাভাবিকতার কারণে জটিল না হয় তাহলে ইউটিআই সাধারণত এক-দুই দিনের চিকিৎসায় ভালো হয়ে যেতে পারে। সংক্রমণ সেরে গেছে এটা নিশ্চিত হতে এখনো অনেক চিকিৎসক তাদের রোগীদের এক থেকে দু’সপ্তাহ অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করতে বলেন। কিছু নির্দিষ্ট রোগীর জন্য একক মাত্রার চিকিৎসা কাজ করে না এবং তাদের একক মাত্রার ওষুধও দেয়া উচিত নয়। যেমন­ যেসব রোগীর দেরিতে চিকিৎসা করা হয়, কিংবা যেসব রোগীর কিডনি সংক্রমণের উপসর্গ রয়েছে ডায়াবেটিস রয়েছে অথবা মূত্রপথের গঠনে অস্বাভাবিকতা রয়েছে বা যেসব লোকের প্রোস্টেটে সংক্রমণ রয়েছে তাদের একক মাত্রার ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করে কোনো উপকার পাওয়া যাবে না। রোগীর সংক্রমণ যদি মাইকোপ্লাজমা বা ক্লামাইডিয়া দ্বারা সংঘটিত হয় তাহলে তাকে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণত টেট্রাসাইক্লিন, ট্রাইমেথোপ্রিম/ সালফামোথোক্সাজল অথবা ডক্সিসাইক্লিন দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। তাদের কিছু দিন পরপর প্রস্রাব পরীক্ষা করে দেখা হয় মূত্রপথ সংক্রমণমুক্ত হয়েছে কি না। ওষুধের সম্পূর্ণ কোর্স গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ সংক্রমণ সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হওয়ার আগেই রোগের উপসর্গগুলো চলে যেতে পারে। এতে অনেক রোগীর রোগ ভালো হয়ে গেছে মনে করে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন, যা মোটেই উচিত নয়।

কিডনি সংক্রমণের গুরুতর অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে­ যে পর্যন্ত না তারা তরল খাবার খেতে পারেন এবং নিজেরা নিজেদের ওষুধ খেতে পারেন। কিডনি সংক্রমণে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের প্রয়োজন হয়। কিডনিতে সংক্রমণ হলে যদি ঠিক মতো চিকিৎসা করা না হয় তাহলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বা কিডনির কার্যকারিতা লোপ পেতে পারে।

*************************
দৈনিক নয়া দিগন্ত, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
ডাঃ মিজানুর রহমান কল্লোল
 লেখকঃ জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন ও মূত্ররোগ বিশেষজ্ঞ। চেম্বারঃ কমপ্যাথ লিমিটেড, ১৩৬ এলিফ্যান্ট রোড (বাটা সিগনাল ও হাতিরপুল বাজারের সংযোগ সড়কের মাঝামাঝি), ঢাকা।