আইরিসের প্রদাহ
- By Article Poster
- চক্ষু
- Unrated
আইরিসের প্রদাহকে আইরাইটিস বলে। আর আইরিস এবং সিলিয়ারি বডির প্রদাহকে একত্রে আইরিডোসাইক্লিআইটিস্ বলা হয়।
কারণঃ
আঘাতজনিত কারণে যদি চোখ ছিদ্র হয়ে যায়
বিভিন্ন জীবাণুর সরাসরি সংক্রমণে
অ্যালার্জি
নির্দিষ্ট কারণ যেমনঃ টিউবারকুলোসিস, সিফিলিস প্রভৃতি।
উপসর্গঃ
দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়া
চোখে ব্যথা, যা রাতে গভীর হয়
চোখ থেকে পানি পড়া এবং
আলোক সংবেদনশীলতা
চিকিৎসক সাধারণত যে বিষয়গুলো খেয়াল করে থাকেন-
চোখ লাল হয়ে যাওয়া
কর্নিয়ার ওপরে কিছু কোষের অস্তিত্ব
আইরিসের বর্ণ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
পিউপিল ছোট হয়ে যাওয়া প্রভৃতি।
চিকিৎসাঃ দৈনিক তিন-চারবার গরম সেক দেয়া উচিত। রোগীকে রোদচশমা ব্যবহার করার পরামর্শ দিতে হবে। ১% এট্রোপিন আই ড্রপ বা অয়েন্টমেন্ট দৈনিক তিনবার ব্যবহার করতে হবে। আক্রান্ত চোখটিকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে। প্রদাহকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য হাইড্রোকটিসোন আই ড্রপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যা ড্রপ এবং অয়েন্টমেন্ট দু’ভাবেই প্রয়োগ করা হয়। তা ছাড়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা, ব্যথার জন্য ব্যথানাশক ওষুধ সেবন, বিভিন্ন জীবাণুর সংক্রমণ বন্ধের জন্য এন্টিবায়োটিক ওষুধ সেবন এবং অবস্থা জটিল হলে সাবকনজাংটিভাল স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন দেয়া হয়।
জটিলতাঃ বিভিন্ন জটিলতার মধ্যে চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ বৃদ্ধি পাওয়া, সাইনেকিয়া, চোখের ছানি তৈরি হওয়া ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
**************************
লেখকঃ ডা. সুমাইয়া নাসরীন লোপা
দৈনিক নয়াদিগন্ত, ০৬ জানুয়ারী ২০০৮