শিশুর কয়েকটি ছোঁয়াচে রোগ নিয়ে এই প্রতিবেদন

মাম্পস

মাম্পস তীব্র সংক্রামক অসুখরোগের কারণ এক আরএনএ-জাতীয় ভাইরাস-নামটি মাম্পস ভাইরাসপাঁচ থেকে ১৫ বছরের শিশু এ রোগের প্রধান শিকারক্লান্তি, জ্বর, শিরঃপীড়া, ক্ষুধামান্দ্য-এসব উপসর্গ দিয়ে শুরুএক-দুই দিনের মধ্যে পেরোটিড লালা গ্রন্থি আক্রান্ত হওয়ার নমুনা দেখা দেয়শিশু কানের পাশে ব্যথা অনুভব করেফোলা আস্তে আস্তে চোয়াল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, যা কানের লতিকে ওপরের দিকে ঠেলে দেয়মা বর্ণনা দেন, শিশুর মুখের একপাশ যেন ফুলে আছে৭৫ ভাগ শিশুর ক্ষেত্রে এ রকম ঘটেতবে এক থেকে পাঁচ দিনের মাথায় মুখের অন্যপাশের গ্ল্যান্ডও ফুলে উঠতে পারেশিশুর মাম্পস হতে বেশ কিছু মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারেবাচ্চার ঘাড়শক্ত ভাব, অণ্ডকোষ ফোলা ও তীব্র পেটব্যথা-এসব অসুবিধার প্রতি মা-বাবা যেন লক্ষ রাখেন এবং শিশুবিশেষজ্ঞকে অবহিত করেন


চিকি
সা

? ব্যথা হলে প্যারাসিটামল ব্যবহার করুন

? ফোলা গ্ল্যান্ডের ওপর হালকা গরম কাপড়ের সেঁকা দিন

? মুখগহ্বরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন


? শিশুর হাঁ করতে অসুবিধা হয়, তাই তরল খাবার বেশি বেশি খাওয়ান


প্রতিরোধ

রোগটি ছড়ায় রোগীর হাঁচি-কাশিজাত জীবাণু বাতাসে ভর করে কিংবা ব্যবহৃত দ্রব্যাদি ও ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে এসেবাংলাদেশ শিশু চিকিসক সমিতি প্রবর্তিত টিকাদান কর্মসূচি অনুযায়ী ১৫ থেকে ১৮ মাস বয়সে এমএমআর ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ দেওয়া হলে শিশু এ রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা পায়এ কর্মসূচিতে শিশুর ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সে দ্বিতীয় ডোজ এমএমআর টিকা দেওয়ার কথা উল্লেখ আছেতাই সম্ভব হলে আজই আপনার শিশুকে বিশেষজ্ঞের পরামর্শমতো তীব্র ছোঁয়াচে মাম্পস রোগ প্রতিরোধক এক ডোজ টিকা দিন


চিকেন পক্স

চিকেন পক্স ভয়াবহ রকমের ছোঁয়াচেঅসুখটি সাধারণভাবে নিরীহ মেজাজের