- Home
- কিডনী ও মূত্রসংবহনতন্ত্র
নাক, কান ও গলার সমস্যা কিডনি সমস্যা
একজন মানুষের কিডনি অন্য একজন অকেজো কিডনির রোগীর দেহে সংযোজন করাকে কিডনি সংযোজন বলা হয়। কিডনি সংযোজন সাধারণত দুই ভাবে করা যায়: মৃত ব্যক্তির কিডনি নিয়ে সংযোজন এবং নিকটাত্মীয়ের যেকোনো একটি কিডনি নিয়ে সংযোজন। আমাদের দেশে বর্তমানে জীবিত নিকটাত্মীয়ের মধ্যে কিডনি সংযোজন বা লাইফ রিলেটেড কিডনি প্রতিস্থাপন নিয়মিত হচ্ছে এবং এর সাফল্যও উন্নত বিশ্বের যেকোনো দেশের সমান।
মূত্রনালির সংক্রমণ ও প্রদাহ বলতে সাধারণত মূত্রথলির ও মূত্রদ্বারের সংক্রমণকে বোঝায়, যা সময়মত চিকিত্সা না করালে মূত্রনালি বা ইউরেটার এবং বৃক্ক বা কিডনির সংক্রমণ ও প্রদাহে রূপ নিতে পারে।
- আপনি জানেন কি, আপনার দুটো কিডনি প্রতিদিন প্রায় ১৭০ লিটার রক্ত পরিশোধিত করে আপনার শরীরকে সুস্থ রাখে?
দুটো কিডনিতে প্রায় ২০-২৫ লাখ ছাঁকনি রয়েছে, যা অনবরত আপনার রক্তকে পরিশোধিত করে যাচ্ছে। ....................
কিডনি রোগ নিয়ে জানার কিছু ভুল : ভুল ভেঙে দাও ভুল জেনে নাও
- By Health Info
- কিডনী ও মূত্রসংবহনতন্ত্র
- Unrated
কিডনি রোগ অনেক ধরনের হতে পারে। কিন্তু এই কিডনি, কিডনি রোগ, এর চিকিত্সা নিয়ে অনেকেরই কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। স্বল্প পরিসরে সেগুলো আলোকপাত করা হলো।
চলতি বছরের বিশ্ব কিডনি দিবসের স্লোগান হলো—‘প্রটেক্ট ইউর কিডনিস, কন্ট্রোল ডায়াবেটিস’ অর্থাত্ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে কিডনিকে রক্ষা করুন। মূলত ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ থেকে কিডনি বিকল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলেই ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা এবার বেশ জোরেশোরেই বলা হচ্ছে। পৃথিবীতে কিডনি রোগ ব্যাপক বিস্তার লাভ করছে। উন্নয়নশীল বিশ্বে এর বিস্তার আরও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত বিশ্বে এর হার শতকরা ১১ ভাগ অর্থাত্ প্রতি ৯ জনের ১ জনই কিডনি রোগী। অস্ট্রেলিয়ায় এ হার শতকরা ১৫ ভাগ। উন্নয়নশীল বিশ্বে এ হার যে আরও বেশি হতে পারে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
মূলত কিডনি ও কিডনি থেকে যেসব নালি প্রস্রাবের থলিতে চলে গেছে এবং যার মাধ্যমে প্রস্রাবের নির্গমন হয়, সেই মূত্রপথের সমন্বয়ে মূত্রতন্ত্র গঠিত। জীবাণু যদি এই তন্ত্রে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়, তাহলে সে অবস্থাকে বলা হয় মূত্রতন্ত্রের প্রদাহ বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন।
সাধারণত কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কয়েকটি কারণ বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে। নেফ্রোটিক সিন্ড্রম এ রোগ প্রসারের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রোটিন বা এলবুমিন বেরিয়ে যায়, তখন শরীরে পানি জমে। প্রচলিত চিকিত্সার পাশাপাশি এ রোগের রোগীদের খাবারে পানির পরিমাণ কমিয়ে দেয়া হয়। কাজেই রোগীর কিডনির কার্যকারিতা ভালো রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে এবং প্রতি সপ্তাহে শরীরের ওজন ও কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপের রোগীর সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি রোগে ভুগে থাকেন। প্রাথমিক অবস্থায় এর কোনো লক্ষণ থাকে না বলে রোগীরা বুঝতেই পারেন না যে, তিনি উক্ত রক্তচাপজনিত কিডনি রোগে আক্রান্ত। কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে এ রোগটি শুরুতেই শনাক্ত করা সম্ভব। সাধারণত যেসব উচ্চ রক্তচাপের রোগী ১০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকেন, তাদের উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
আমাদের দেশে দিনে দিনে কিডনি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এর মধ্যে ক্রনিক কিডনি রোগী ও শিশু কিডনি রোগী সর্বাধিক। এর কিছু সাধারণ কারণ হলোঃ ১. খাদ্যে ভেজাল ও বিষাক্ত খাদ্য ২. বাহিরের খাবারের প্রতি আগ্রহ ও খাদ্য গ্রহণ বৃদ্ধি ৩. প্রত্যেক স্কুলের সামনে অস্বাস্থ্যকর খোলা খাবার বিক্রয় ৪. ডায়াবেটিস ৫. উচ্চ রক্তচাপ ৬. শরীরে অতিরিক্ত ওজন ৭. প্রস্রাবে এলবুমিন নির্গত হওয়া ৮. কিছু কিছু ক্ষেত্রে জেনেটিক ও বংশগত কারণও দায়ী করা হয়। এর মধ্যে অনেক রোগের অন্যতম কারণ হলো নিজের প্রতি নিজের অসচেতনতা, অযত্ন। নিজেকেই নিজের যত্ন নিতে হবে। এক জন মানুষের প্রথম চিকিৎসক সে নিজেই নিজের একটুখানি সচেতনতা। তাকে অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে। “কথায় বলে” preren fidr is beter then ceree অর্থাৎ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিকার ভালো।
কিডনী ও মূত্রসংবহনতন্ত্র