স্বাস্থ্যকথা

খাদ্য ও পুষ্টি

(Page 1 of 4)   
« Prev
  
1
  2  3  4  Next »
চা নিঃশ্বাসকে সতেজ করে তোলে এবং মুখের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন নিউইয়র্ক পেস ইউনিভার্সিটির গবেষক মিলটন। সবুজ চা ভাইরাসের বিরুদ্ধে টুথপেস্ট ও মাউথওয়াশের কার্যকারিতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়। দেখা গেছে, সবুজ চায়ের নির্যাস ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রায় ১শ’ ভাগ কার্যকর।
ভাল হাড়ের জন্য চাই প্রচুর ভিটামিন-কে, আর এরকম প্রচুর ভিটামিন-কে পাবেন সবুজ শাকসবজিতে। হার্ভার্ড-এর একদল বিজ্ঞানী দেখেন যে, হিফ জয়েন্ট ভাঙনে যে প্রচুর ভিটামিন-কে-এর প্রয়োজন তা আপনি অর্ধকাপ গাঢ় সবুজ শাকসবজিতে পাচ্ছেন। তারা গবেষণায় ৭৩,০০০ মহিলাকে ভিটামিন-কে দিয়ে এরকম একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। এসব মহিলার প্রত্যেককে ১০৯ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-কে দেন প্রতিদিন (যা কিনা সহজেই গাঢ় সবুজ শাকসবজিতে পাওয়া যায়) এবং ১০ বছরের অধিক এই গবেষণায় লক্ষ্য করেন যে, শতকরা ৩০ ভাগেরও কম মহিলা হিপের ভাঙনে আক্রান্ত হন। মূলত ভিটামিন-কে এই কাজটি নিজে নিজে করতে পারে না। এই ভিটামিন অস্টিওক্যালসিন নামক এক ধরনের অস্থিপ্রোটিনকে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটানোর মাধ্যমে হাড়ের গঠনে সাহায্য করে এবং হাড়কে শক্ত রাখে। যদিও এটা নিশ্চিত যে হাড়ের গঠনে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি অত্যাবশ্যক কিন্তু ভিটামিন-কে-এর অভাবে অস্টিওক্যালসিন ঠিকমতো কাজ করতে পারে না অস্থির উপর, ফলে হাড় থাকে খুব দুর্বল। প্রতিদিন সবুজ শাকসবজি খান, যা কিনা ভিটামিন-কে-এর উত্তর উৎস-আর রক্ষা করে হাড়কে সব ধরনের ভাঙন থেকে।

দুধের এইডস নিরোধক ভূমিকা

জীবনের প্রথম পুষ্টি দুধ। আদর্শ খাদ্য হিসেবে দুধ সর্বজনস্বীকৃত। সম্প্রতি দুধের আরেকটি নতুন গুণের কথা আবিস্কৃত হয়েছে। দুধ এইডসের ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে। শুধু এইডসের ভাইরাসই নয়- গনোরিয়া, ক্ল্যামাইডিয়া ইত্যাদি ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধেও কাজ করে। গবেষকরা বলেন, দুধে আছে ‘মনোক্যাপ্রিন’ নামের এক বিশেষ উপাদান যার জীবাণুনাশক ক্ষমতা আছে। এটি দুধের ‘ফ্যাট’ বা স্নেহধর্মী অংশে থাকে। পাওয়া যায় মায়ের দুধ ও গরুর দুধ দুটোতেই। নারকেলেও ‘মনোক্যাপ্রিন’ পাওয়া যায়। গবেষকরা মনোক্যাপ্রিনকে প্রক্রিয়াজাত করে ওষুধ বানাতে চেষ্টা করেছেন। মার্কিন গবেষক হ্যালডর থশ্যার কিছু জীবজন্তুর উপর এটি নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছেন। সফল হলে আশা করা যায়, গোটা মানব জাতিই উপকৃত হবে। ************************** দৈনিক ইত্তেফাক, ৭ নভেম্বর ২০০৯।
সঠিক খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে আমরা মস্তিষ্ককে সতেজ রাখতে সক্ষম। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের মাধ্যমে আপানি আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন কিংবা মস্তিষ্কের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করতে পারেন। এবার জেনে নেয়া যাক কি সেই খাদ্য উপাদানগুলো।
রোদের দেশে থাকলেই ভিটামিন ডি-এর অভাব হবে না, এমন আত্মপ্রসাদ উপভোগ করার কোনোই কারণ নেই। শুধু বাইরে রোদ থাকলেই হবে না, ওটা শরীরেও লাগাতে হবে। কথাটা উঠেছে একটা বিশেষ কারণে। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, আরব দেশীয় মহিলারা শেষ বয়সে নানা রকম হাড়ের সমস্যায় ভোগেন। কারণ খুঁজে দেখা গেছে, তাদের শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব আছে। শতকরা ৬০ ভাগ মহিলারই এই অবস্থা। এমন রৌদ্রঝলসিত মরুর দেশে ভিটামিন ডি-এর অভাব। কারণ আর কিছুই নয়, অতিরিক্ত পর্দাপুশিদার কারণে তাদের গায়ে রোদের কিরণ ঠিকভাবে পড়ে না। সম্ভ্রান্ত মুসলিম নারী পর্দাপুশিদা করবেন- এটাই স্বাভাবিক।
আমাদের অনেকেরই হয়ত জানা নেই, কলা পেটফাঁপা বা স্টমাক আপসেট থেকে রক্ষা করতে পারে। যদিও কথাটি অনেকেই বিশ্বাস করতে চাইবেন না কিন্তু সাম্প্রতিককালের গবেষণায় এমনটিই দেখা গেছে। গবেষকরা বলছেন, কলা পাকস্থলী থেকে মিউকাস এবং এক ধরনের কোষের উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে যা পাকস্থলীর ঝিল্লি এবং এসিডের মাঝে পর্দার মতো বাঁধার কাজ করে।
স্বাস্থ্য রক্ষায় পেঁয়াজ
কর্মদক্ষতা বাড়াতে চান? তো আপনার খাদ্য তালিকায় যুক্ত করুন এই চারটি উপাদান।
অধিক খাদ্যশক্তি সমৃদ্ধ খেজুর ভিটামিন সি ও আয়রণের অভাব পূরণে জলপাই
ডিম অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। সুস্বাদুও বটে। খাওয়া হয় হরেক রকম ভাবে। যে ভাবেই খাওয়া হোক না কেন, আমরা ডিম থেকে পাই উৎকৃষ্ট মানের-মায়ের দুধের পরেই এর স্থান। সকল এমাইনো এসিডই আছে এই প্রোটিনে। এই প্রোটিনের প্রায় শতভাগই শরীরের কাজে লাগে।
(Page 1 of 4)   
« Prev
  
1
  2  3  4  Next »


No popular authors found.