- Home
- নখ ও চুল
চুলপড়া কোন রোগ নয়, তেমনি চুলপড়ার কোন সুনির্দিষ্ট চিকিৎসাও নেই। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে চুলপড়ার সমস্যার ক্ষেত্রে রোগীরা ভুল চিকিৎসার শিকার হন। কোন প্রকার চিকিৎসা ছাড়াই চুলের বিজ্ঞান সম্মত পরিচর্যা করলে চুলপড়া বহুলাংশে কমে।
আধুনিক প্রযুক্তি লেজার বা আলোর সাহায্যে চিকিৎসা। শ্বেতীরোগ, জন্মদাগ, কিলয়েড বা ত্বক উঁচু হয়ে যাওয়া, ব্রণের দাগ ইত্যাদিতে রয়েছে এর সফল প্রয়োগ
খুশকি ও চুল পড়া
- By Health Info
- নখ ও চুল
-
Rating:




খুশকির ইংরেজি প্রতিশব্দ হল ‘ডেনড্রাফ’। এটি সাদা সাদা শিথিল ও মসৃণ শুকনো মৃত চামড়ার আঁশ, যা দ্রুত সমস্ত মাথার ত্বককে আক্রান্ত করে ফেলে। এ অবস্থা যখন মারাত্মক আকার ধারণ করে, তখন আঁশগুলো সাদা-হলুদে মিশে আঠালো হয়ে ওঠে। পরিণতিতে সৃষ্টি হয় টাক।
খুশকি
- By Health Info
- নখ ও চুল
-
Rating:




চিকিৎসা ও প্রতিকার করবেন কিভাবে খুশকি একটি অতি পরিচিত চর্মরোগ যা মাথার খুলির ত্বকে হয়। প্রত্যেক মানুষই জীবনের কোন না কোন সময় খুশকিতে আক্রান্ত হয়। যার ফলে অনেকেই এই রোগটিকে খুব হালকাভাবে নেয়, এমনকি এটি যে একটি রোগ এবং এর যথাযথ চিকিৎসা প্রয়োজন সে সম্বন্ধে সচেতনতার বড্ড অভাব রয়েছে।
অল্প বয়সে চুল পড়াঃ
- By Health Info
- নখ ও চুল
-
Rating:




চুল ত্বকেরই অঙ্গ। ত্বকের উপরিতলের কোষ বা এপিডারমাল সেল থেকে চুলের উৎপত্তি। হেয়ার ফলিকল তৈরি হয় এপিডারমাল সেল থেকে। হেয়ার ফলিকনের একেবারে গভীরতম অংশ বা হেয়ার বালবের বিভাজনে তৈরি হয় নতুন নতুন কোষ। এই নবীন কোষগুলোতে বিশেষ ধরনের প্রোটিন জমতে থাকে, যা ত্বকের সাধারণ প্রোটিন থেকে কিছুটা আলাদা ও শক্ত। হেয়ার বালবের মধ্যের মেলানোসাইট চুলের রঙ সরবরাহ করে। চুলের পুষ্টি আসে হেয়ার বালবের শিরা, উপশিরা থেকে। হেয়ার বালবের থেকে তৈরি হওয়া কোষগুলো একত্রে একটি দন্তের মতো উপরিতলের দিকে বাড়তে থাকে। জীবন্ত কোষগুলো ক্রমশ মৃত্যুর দিকে এগোয়, জমে ওঠা শক্ত কেরাটিনের একটি টালিতে পরিণত হয়। চুলের এই দন্ডের চারপাশে হেয়ার ফলিকদের দেয়াল লেপটে থাকে। ত্বকের উপরিভাগের কাছে এসে হেয়ার শ্যাফট তার চারপাশের দেয়াল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি মোটা কালো সুতার মতো ত্বকের উপভিাগ থেকে বেরিয়ে আসে। তাই চুলের পুষ্টি সঞ্চালন করতে হলে হেয়ার ফলিকলের নিচে, ত্বকের গভীরে হেয়ার বালবে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে হবে এবং সেই রক্তে চুল তৈরিতে প্রয়োজনীয় উপাদান ঠিকভাবে থাকতে হবে। আগাগোড়া হেয়ার ফলিকল বা চুল তৈরির কারখানাটিও ঠিক থাকা দরকার।
চুল যখন ঝরে
- By Health Info
- নখ ও চুল
-
Rating:




স্বাস্থ্যোজ্জ্বল সুন্দর চুল আমরা সবাই চাই। নানা রকম দূষণ, মানসিক চাপ, অনিয়মিত খাদ্য গ্রহণ, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, নানা রকম অসুখ কিংবা জন্মগত কারণে বর্তমানে অনেক অল্প বয়সীরই চুল ঝরে যাচ্ছে। চুল ঝরে যাচ্ছে কিংবা টাক সমস্যা নিয়ে যারা কথা বলেন তারা নিচের সমস্যাগুলোর কথা সাধারণত বলে থাকেন চুলের গোড়ায় ময়লা জমে।
সুন্দর চুলের জন্য
- By Health Info
- নখ ও চুল
- Unrated
চুল নিয়ে আজকাল অনেকেরই ভাবনার অন্ত নেই। ভালো স্বাস্থ্য, সুন্দর চুল সবারই কাম্য। গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত সমান ভারী চুলকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল বলা যায়। এ ছাড়া চকচকে কালো চুল এবং মাথার ত্বক পরিষ্কার থাকতে হবে।
মেয়েদের মুখে অবাঞ্ছিত লোম: লেজার চিকিৎসা কতটা কার্যকর ?
- By Health Info
- নখ ও চুল , নারীর স্বাস্থ্য
-
Rating:




কসমেটিক: ডার্মাটোলজি-১৪ প্রতিটি নারী-পুরুষের শরীরে কম-বেশি লোম রয়েছে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মাঝে মাঝে এই লোম সমস্যা নিদারুণ বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে। যদি মেয়েদের মুখে স্বাভাবিকের চেয়ে অধিক লোম পরিলক্ষিত হয়। এ ধরনের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক সমস্যায় রূপ নেয়। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করে।
চুলপড়া নিয়ে কিছু কথা
- By Health Info
- নখ ও চুল
-
Rating:




বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষ বর্তমানে চুল পড়ার সমস্যায় আক্রান্ত। টিনএজার থেকে মধ্যবয়সী অনেকেরই চুল ঝরে যাচ্ছে। ছেলেদের মাথার সামনের দিকে চুল ফাঁকা হয়ে টাক দেখা দিচ্ছে। মেয়েদের বেণী চিকন হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু বর্তমানে অনেকেরই চুল পড়ার সমস্যা রয়েছে, তাই নানা রকম বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছে মিডিয়াগুলোতে। এসব পণ্য বিজ্ঞানসম্মত নয় এবং কেউ উপকৃত হয়েছেন বলে জানা যায়নি। ঠিক একই অভিযোগ রয়েছে রঙ ফর্সাকারী ক্রিমের প্রচারের ব্যাপারে। চুল পড়তে থাকলে এর কারণ নির্ণয় ও প্রতিকার করা প্রয়োজন।
পুরুষের চুল পড়া
- By Health Info
- নখ ও চুল
-
Rating:




চুল পড়া একটি স্পর্শকাতর সমস্যা। ছেলেদের চুল পড়ে যাওয়া বা টাক সমস্যা নিয়ে অনেকেই বিব্রত বা বিরক্ত। চুল পড়ার কারণ নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে বা হচ্ছে। চিকিৎসাশাস্ত্রে বলা হয়, চুল পড়ার কারণ বংশগত বা হরমোনজনিত। ছেলেদের চুল পড়া বা এনড্রোজেনিক এলোপিসিয়ার মূল কারণ ডাইহাইড্রোক্সি টেসস্টোসস্টেরন বা ডিএইচটি। ডিএইচটি একটি পুরুষ হরমোন। পুরুষ হরমোন টেসস্টোসস্টেরন থেকে ৫ আলফারিজাকটেজ এনজাইমের সাহায্যে তৈরি হয় ডিএইচটি। ডিএইচটি চুলের ফলিকলের গোড়ায় গিয়ে এদের বৃদ্ধি রোধ করে এবং রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দেয়। এভাবেই চুল পড়তে শুরু করে। সুতরাং ডিএইচটি বেড়ে গেলে চুল পড়তে শুরু করে এবং একপর্যায়ে টাকের সৃষ্টি হয়।
নখ ও চুল