স্বাস্থ্যকথা

নারীর স্বাস্থ্য

(Page 1 of 4)   
« Prev
  
1
  2  3  4  Next »
প্রস্রাবে প্রদাহ যেকোনো বয়সেই হতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধির পর থেকে বৃদ্ধ বয়সের যেকোনো সময়। মূল উৎস হচ্ছে অপরিচ্ছন্নতা, দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা, পায়ুনালী, ঘন ঘন কৃমি কর্তৃক সংক্রমণ, সহবাসের কারণে মূত্রনালীতে জীবাণু প্রবেশ করতে পারে। পায়ুনালী থেকেই, কোলাই নামক জীবাণু কর্তৃক শতকরা ৭০-৮০ ভাগ প্রস্রাবের প্রদাহ হয়ে থাকে। অন্যান্য জীবাণুর মধ্যে প্রোটিয়াস, ক্লেবসিনা ও সিওডোমনাসের নাম উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি স্টেফাইলোক্কাস স্কোরোফাইটিকাস নামক জীবাণু মেয়েদের ১৫ থেকে ৩০ ভাগ প্রস্রাবের কারণ।
দুরন্ত কৈশোর পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গ নারী হয়ে উঠতে শরীর ও মনে নানা রকম পরিবর্তন, যেমন—রজঃস্রাব হয় (১২-১৪ বছর বয়সে), তেমনি ৪৫-৫২ বছরের পূর্ণাঙ্গ নারীর শরীর ও মনে আসে বড় পরিবর্তন। এর মধ্যে অন্যতম হলো রজঃ নিবৃত্তি বা মেনোপজ। এটা এ জন্য হয় যে প্রতিটি নারীর ডিম্বাশয় থেকে যে মেয়েলি হরমোন নিঃসৃত হয়ে নারীকে পূর্ণাঙ্গতা দিয়েছিল, সে হরমোনগুলো কমে যেতে থাকে। ফলে এ সময় নারীর শারীরিক, মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন সূচিত হয় এবং এ পরিবর্তন তাকে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রাখে। সাধারণত ৪৫ থেকে ৫২ বছর বয়সে হলেও কারও চল্লিশের পরপরই মাসিক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আবার কারও ৫৪ বছর বয়স পর্যন্ত মাসিক হতে পারে। মেনোপজ হলে নানা পরিবর্তন আসে শরীর ও মনে। শারীরিক পরিবর্তন: ত্বক মোটা ও রুক্ষ হয়, শরীর স্থূল হয়, ওজন বাড়ে, স্তন শুকিয়ে যেতে থাকে।
যে সকল মহিলা দীর্ঘদিন ধরে যৌন শীতলতায় ভুগছেন তাদের জন্য এক আনন্দের বার্তা ঘোষণা করেছেন গবেষকরা। গবেষকদের মতে, এক বিশেষ ধরনের তরল পদার্থ মহিলাদের যৌনাঙ্গে স্প্রে করলে তাদের যৌনাকাঙক্ষা বাড়তে পারে এবং সেই সাথে শরীরও হতে পারে চাঙ্গা। Alprostadil নামের এ ওষুধটি কিন্তু একেবারে নতুন নয়। ইতোপূর্বে এই ওষুধটি পুরুষদের যৌন সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হতো। Prostaglandin E থেকে এটি প্রস্তুত করা হয়।
মেয়েদের রজঃনিবৃত্তি জীবনচক্রের একটি অপরিহার্য অবস্থা। মেয়েদের ওভারি পরিপূর্ণভাবে কাজ করে মোটামুটি ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সসীমার মধ্যেই। তখন মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র শুরু হয়। এ সময় মেয়েদের ওভারির মধ্যে ছোট ছোট ফলিকল থাকে। এদের মাঝে থাকে ওভাম। আর ডিম্বাণু ক্রমেই বড় হতে থাকে। একপর্যায়ে ফেটে গিয়ে অভিউলেশন ঘটে। প্রতিমাসে এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। যাকে আমরা বলি ঋতুচক্র। এ চক্র ১২-১৫ বছরের মধ্যে শুরু হয়ে ৪৫ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত চলে। তারপর বন্ধ হয়ে যায়। ওভারির এ কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলার ফলে মাসিক বা ঋতুচক্র বন্ধ হওয়ার নাম রজঃনিবৃত্তি। এ সময় মায়েদের বেশ কিছু শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়।
কিডনি সমস্যা নারীস্বাস্থ্য সমস্যা
কসমেটিক: ডার্মাটোলজি-১৪ প্রতিটি নারী-পুরুষের শরীরে কম-বেশি লোম রয়েছে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মাঝে মাঝে এই লোম সমস্যা নিদারুণ বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে। যদি মেয়েদের মুখে স্বাভাবিকের চেয়ে অধিক লোম পরিলক্ষিত হয়। এ ধরনের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক সমস্যায় রূপ নেয়। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করে।
একটি নবজাতকের কান্না একজন মায়ের মুখে স্বর্গীয় হাসি ফোটাতে পারে তা নিজের চোখে না দেখলে আর প্রাণের গভীর অনুভব না করলে সঠিক মূল্যায়ন করা যায় না। ২০ অক্টোবর শীতের বিকেল ৫টায় চার দিক যখন আঁধারে ঢেকে যাচ্ছে, অস্তমিত সূর্যের সোনালি আভা যখন পশ্চিম আকাশে অনেকটা আবীর ছড়িয়ে দিচ্ছে, ঠিক তখনই অপারেশন থিয়েটার সিজারিয়ান অপারেশন করে অনুরাধার একটি ছেলে হলো।
নারীর ভূমিকা এখন আর জননী, জায়া ও কন্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে আর্থসামাজিক এবং জাতীয় রাজনীতিতে আমাদের দেশের নারীর রয়েছে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা। নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষা শুধু নারীর প্রাপ্য অধিকারকেই নিশ্চিত করবে না বরং বৃহত্তর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে পরিবার, সমাজ ও দেশের সমৃদ্ধি তাতে ত্বরাম্বিত হবে।
নারীস্বাস্থ্য সমস্যা হরমোনের সমস্যা
বন্ধত্বের কারণগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্ত্রী, ৩৫ শতাংশ ক্ষেত্রে স্বামী এবং ১০-২০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ত্রুটির জন্য গর্ভধারণ হয় না। বাকি ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে অনুর্বরতার কোনো সঠিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। সন্তান লাভের আশায় কোনো দম্পতি কোনো ধরনের জন্মনিরোধক উপায় অবলম্বন না করে এক বছর পরও যখন স্ত্রীর গর্ভধারণ হয় না তখন তাকে বলা হয় বন্ধ্যত্ব বা ইনফার্টিলিটি।
(Page 1 of 4)   
« Prev
  
1
  2  3  4  Next »


Categories

No popular authors found.


-->