- Home
- রোগ, কারণ ও প্রতিরোধ
- জন্ডিস
জন্ডিসের ভ্যাকসিন কেন দেবেন
- By Health Info
- জন্ডিস
- Unrated
হেপাটাইটিস এ এবং হেপাটাইটিস বি দু’টি সংক্রামক রোগ। হেপাটাইটিস এ এবং হেপাটাইটিস বি দু’টি সংক্রামক রোগ। হেপাটাইটিস এ বা সাধারণ জন্ডিস সাধারনতঃ খাবার পানি বাইরের খোলা ও জীবানুযুক্ত খাবার আহার করলে এবং আক্রা- ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে অথবা আক্রা- ব্যক্তির ব্যবহার্য জিনিসপত্র ব্যবহার করলে হেপাটাইটিস এ বা সাধারণ জন্ডিস সংক্রমিত হতে পারে। সাধারনতঃ বিশ্রাম ও কিছু নিয়ম-নীতি মেনে চললে হেপাটাইটিস এ ভালো হয়। হেপাটাইটিস এ জন্ডিসের বিরুদ্ধে কার্যকর ভ্যাকসিন। দু’টি ভ্যাকসিন দিয়ে হেপাটাইটিস এ রোধ করা যায়। আর এক ধরনের জন্ডিস হচ্ছে হেপাটাইটিস বি। হেপাটাইটিস বি ভাইরাস থেকে এই রোগ সংক্রমিত হয়। জীবানুযুক্ত ইনজেকশনের সূই ব্যবহার জীবানুযুক্ত রক্ত সঞ্চালন, আক্রা- ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পকê এই রোগ সংক্রমনের প্রধান কারণ। এই রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর ভ্যাকসিন রয়েছে। ৪টি ভ্যাকসিন দিয়ে হেপাটাইটিস বি প্রতিরোধ করা যায়। তবে ভ্যাকসিন দেয়ার ক্ষেত্রে সবচাইতে উন্নতমানের কার্যকর ভ্যাকসিন দিতে হবে, কমদামের অননুমোদিত ভ্যাকসিন দিবেন না। জেনে নেবেন ভ্যাকসিন ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদিত কিনা। সব সময় মনে রাখবেন অনেক অসাধু ব্যবসায়ী মুনাফা লাভের আশায় অকার্যকর কমদামী ভ্যাকসিন বাজারজাত করছে। এসব ভ্যাকসিন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরী হয় না। *************************
দৈনিক ইত্তেফাক, ২০ ফেবুয়ারি ২০১০।
ঘাতক ভাইরাস : হেপাটাইটিস-বি
- By Health Info
- জন্ডিস
- Unrated
বিশ্বে হেপাটাইটিসকে একটি মারাত্মক রোগ বলা হয়ে থাকে। ভাইরাসের কারণে হয় বলে একে ভাইরাল হেপাটাইটিস বলা হয়। সাধারণ অর্থে হেপাটাইটিস বলতে লিভার ফুলে যাওয়াকে বোঝানো হয়। এর ফলে দেখা দেয় লিভারে ইনফেকশন, সঙ্গে ইমিউন সিস্টেমের অবনতি এবং একপর্যায়ে অকার্যকর হয়ে পড়ে লিভার। হেপাটাইটিস ৫টি ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে। ভাইরাসগুলো হচ্ছে—হেপাটাইটিস-এ, হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, হেপাটাইটিস-ডি এবং হেপাটাইটিস-ই।
সদ্যপ্রসূত শিশুর জন্ডিস
- By Health Info
- শিশুর স্বাস্থ্য , জন্ডিস
- Unrated
সদ্যপ্রসূত শিশুর জন্ডিস বর্তমানে বহুল আলোচিত। যা শুনলেই চমকে ওঠেন অভিভাবকরা। জন্ডিসের বাংলা শব্দ হলো ন্যাবা। অঞ্চলভেদে কমলাও বলা হয়। যকৃতের পিত্ত নিঃসরণক্রিয়ার স্বল্পতা অথবা অবরুদ্ধতাবশত রক্তের পিত্ত মিশ্রিত হয়ে শারীরিক রক্তের মধ্যে সঞ্চালিত হয়ে শরীরস্থ চর্ম, চোখের শ্বেত বর্ণ স্থান মূত্র পীত বর্ণ ও হলদে বা কমলা রঙের হলে ন্যাবা বা জন্ডিস বলে। শতকরা ৬০ ভাগ শিশুর জন্মের এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে জন্ডিস হয়ে থাকে।
শিশুর জন্ডিস
- By Health Info
- শিশুর স্বাস্থ্য , জন্ডিস
- Unrated
জন্মের পর প্রত্যেক বাচ্চার জন্ডিস হয়। বাচ্চার যখন তিনদিন বয়স, তখনই এর শুরু। কখনো আবার দুদিনের মাথায়ও এটা হতে পারে। সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে এটা আপনা থেকেই ঠিক হয়ে যায়। এ ধরনের জন্ডিসের নাম ‘ফিজিওলজিক্যাল জন্ডিস’। সদ্যোজাত শিশুদের বিলিরুবিনের পরিমাণ খুব বেশি থাকে। কেননা যকৃতের যে উৎসেচক বা এনজাইমগুলোর বিলিরুবিন নিয়ন্ত্রণ করার কথা, সেগুলো শিশুর জন্মের অব্যবহিত পরেই তাদের কাজ ঠিকমত শুরু করে উঠতে পারে না। এটাই হলে ফিজিওলজিক্যাল জন্ডিসের কারণ।
হেপাটাইটিস রোধে করণীয়
- By Health Info
- জন্ডিস
- Unrated
হেপাটাইটিস ভাইরাসজনিত রোগে প্রতি বছর বিশ্বে ১৫ লাখ মানুষ মারা যায়। বিশ্বে প্রতি ১২ জনের মধ্যে ১ জনের ‘বি’ অথবা ‘সি’ ভাইরাস রয়েছে। যারা ভাইরাসে আক্রান্ত তাদের অনেকেই জানে না, তারা ওই ভাইরাসে আক্রান্ত। কিছু হেপাটাইটিস রোগ হলে তা আর ভালো হয় না। তাই সবার উচিত হেপাটাইটিস ‘এ’ ও ‘বি’ প্রতিরোধক টিকা নেয়া।
ভাইরাল হেপাটাইটিসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক ও ধ্বংসাত্মক ভাইরাস হচ্ছে হেপাটাইটিস ‘সি’। সাধারণত রক্তের মাধ্যমে এ প্রাণঘাতী ভাইরাস ছড়িয়ে থাকে। ১৯৮৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। হেপাটাইটিস সি লিভারের একটি মারাত্মক শত্রু। হেপাটাইটিস সি নামক ভাইরাসটি লিভার কোষ ধ্বংস করে ফেলে লিভার প্রদাহের সৃষ্টি হয় ও লিভারের কোষ ধ্বংস অব্যাহত থাকে। হেপাটাইটিস সি সংক্রমণের ৫-৮ বছরের মধ্যে এর কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না, ফলে ১০/১২ বছরের মধ্যে রোগী লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যাসারে আক্রান্ত হয়। অধিকাংশ রোগী প্রাথমিক পর্যায়ে বুঝতেই পারে না যে তার মধ্যে ঘাতক ভাইরাস লুকিয়ে আছে। এ জন্যই সি ভাইরাসকে বলা হয় নীরব ঘাতক।
হেপাটাইটিস-সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা
- By Health Info
- জন্ডিস , সমস্যা ও সমাধান
- Unrated
সমস্যাঃ স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে গিয়ে ছয় মাস আগে আমার এইচবিএসএজি পজিটিভ ধরা পড়ে। এরপর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এইচবিএসএজি, এইচবিইএজি, এসজিপিটি অ্যান্টি-এইচবিই, অ্যান্টি-এইচবিসিআইজিএম, এস-ক্রিয়েটিনিন, এইচবিভি-ডিএনএ প্রভৃতি পরীক্ষা করি, যার ফলাফল হচ্ছে এসজিপিটি হচ্ছে ৭৫ ইউএল, অ্যান্টি-এইচবিই নেগেটিভ, অ্যান্টি-এইচবিসিআইজিএম, নেগেটিভ, এস-ক্রিয়েটিনিন নরম্যাল এইচবিভি-এনএ হাই পজিটিভ, যার মান হচ্ছে ৯.১০৮ এমআই। কিন্তু দেড় মাস পর আবার এইচবিএসএজি এবং এসজিপিটি পরীক্ষা করাই, যার ফলাফল এসেছে। বর্তমানে আমার বয়স ২৩ বছর। এ ছাড়া রোগ ধরার পর মাত্র এক রাত আমার প্রচণ্ড জ্বর উঠেছিল।
লিভারের প্রদাহকে হেপাটাইটিস বলা হয়। বিভিন্ন কারণে ভিন্ন ভিন্ন দেশে হেপাটাইটিস হয়ে থাকে। এর মধ্যে ভাইরাস, মদ্যপান, বিপাকের অসংগতি ইত্যাদি। বাংলাদেশে সাধারণত এ, বি, সি, ডি, ই ভাইরাসের মাধ্যমে লিভারের প্রদাহ বা হেপাটাইটিস হয়ে থাকে। জন্ডিস দেখা দিলে এ রোগটি ধরা যায়। যদিও নিশ্চিত হওয়ার জন্য রোগীর রক্তের সিরামে এ ভাইরাসের নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেন বা অ্যান্টিবডি উপস্থিত নিশ্চিত করতে হয়।
- লিভারের রোগ-এই রোগে ভাইরাসের সৃষ্ট প্রদাহে লিভারের কোষগুলো স্ফীত হয়ে তাদের কর্মক্ষমতা হারায়। ফলে লিভারে বিলিরুবিনের শোধন হয় না, অপরিশোধিত বিলিরুবিন রক্তে জমে যায়। তাছাড়া বাইল বা পিত্ত নিঃসরণও বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পরিশোধিত বিলিরুবিনও শরীর থেকে বেরিয়ে না গিয়ে রক্তে জমে যায়।
বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস ভাবনা
- By Health Info
- জন্ডিস , ক্যান্সার
-
Rating:




‘আপনি কি নম্বর ১২’
‘আমি কি নম্বর ১২’-এই অভিযান ইতিমধ্যে ৫৫টি দেশে সাড়া জাগিয়েছে। উঁচুদরের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে সিডনি থেকে সার্বিয়া, বেইজিং থেকে বুয়েনস এইরেস। বিশ্ব হেপাটাইটিস অ্যালায়েন্সের সভাপতি চার্লস গোর বলেছেন, “যেখানে ক্রনিক হেপাটাইটিসে প্রতিবছর মারা যাচ্ছে ১৫ লাখ মানুষ, একে তো অবহেলা করা চলে না। ‘আমি কি নম্বর ১২’ অভিযানের মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে ১৯ মে আমরা হেপাটাইটিস ‘বি’ ও ‘সি’-কে বিশ্বজনীন স্বাস্থ্য পরিচর্যা এজেন্ডার মধ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”
হেপাটাইটিস ‘বি’ বা ‘সি’ রোগে প্রতিবছর ১•৫ মিলিয়ন মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে।
জন্ডিস