- Home
- শারিরিক ও মানসিক ফিটনেস
অনিদ্রা হয় অনেকেরই। আর সুনিদ্রার জন্য মানুষের চেষ্টারও শেষ নেই। চোখ বুজে মেষের সারি দেখে দেখে মেষ গোনা... ১০০ থেকে উল্টোদিকে গুনে আসা—কত চেষ্টা যে চলে! কিন্তু তবু অনেকে কড়িকাঠ গুনে গুনে রাত পার করেন—ঘুম আসে না চোখে। ভুল হলো, আজকাল ছাদে কড়িকাঠ নেই; শুধু ছাদ দেখে দেখে বা টিকটিকি দেখে দেখে রাত কাটানো।
প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন, সুস্থ থাকুন
- By Health Info
- শারিরিক ও মানসিক ফিটনেস , হেলথ টিপস
- Unrated
ব্যায়াম বা শরীর চর্চা প্রতিটি পূর্ণ বয়স্ক মানুষের করা বাঞ্জনীয়। ব্যায়াম শুধু শরীরকে সচল ও ফিট রাখে তাই নয়, ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের খারাপ চর্বি বা ব্যাড কোলেষ্টেরলের মাত্রা কমে এবং ভালো চর্বি বা গুড কোলেষ্টেরল এইচডিএল-এর মাত্রা বাড়ে। পাশাপাশি ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ত্বরাম্বিত হয় এবং দ্রুত রক্ত চলাচলের কারণে হার্টের রক্তনালীতে চর্বি জমতে পারেনা। ফলে হার্টে ব্লক তৈরীও হতে পারে না, পাশাপাশি যাদের হার্টের রক্তনালীতে ব্লক বা খানিকটা চর্বি জমেছে সেক্ষেত্রেও ব্যায়াম রক্তনালীতে অতিরিক্ত চর্বি জমতে দেয়না। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা পায়।
হঠাৎ করে আমাদের যাপিত জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত চলে আসে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত। হুট করে ঘটে যায় এমন কিছু, যা আমাদের কল্পনারও বাইরে। ঠিক সেই সময় পরিবর্তিত প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে গিয়ে আমাদের মনোজগতে তৈরি হয় আলোড়ন। আমাদের আচরণ, চিন্তা সবকিছু হয়ে যায় এলোমেলো- হতবিহ্বলতার দিকে চলে যাই আমরা, হয়ে যাই কিংকর্তব্যবিমূঢ়। আসন্ন কোনো বিপদ বা হুমকি থেকে আমাদের মনে তৈরি হয় তীব্র উৎকণ্ঠা আর কোনো ক্ষতি হয়ে গেলে তৈরি হয় বিষণ্নতা। অনেক সময় এই উৎকণ্ঠা আর বিষণ্নতা একসঙ্গে থাকে, কারণ আসন্ন বিপদ আর ক্ষয়ক্ষতি প্রায়শই একসঙ্গে ঘটে। বড়সড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ, বড় দুর্ঘটনা ইত্যাদি। এসব মুহূর্তে কেবল হারানোর বেদনাই থাকে না, সঙ্গে থাকে আরো ক্ষতি হওয়ার ভয় বা হুমকি।
ওবেসিটি কথাটির অর্থ স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন। ‘আপা ওজন কমাতে চাই’। এই সিদ্ধান্ত ৩১ বছর বয়সী একজন স্কুল শিক্ষিকার।
ওজন যেন না বাড়ে
- By Health Info
- শারিরিক ও মানসিক ফিটনেস
-
Rating:




এখনকার মা দিদিরা আর বলেন না, ‘পেট ভরে খাস, বাবা’। খেতে বসে খাওয়ার শেষে তৃপ্তির ঢেকুর না তুললে যেন খাওয়াই হলো না। আজকাল গুরুজনরা বলেন, পেট ভরার আগেই উঠে যাস। এতো খাসনে। পেট যেন একটু খালি থাকে। সবাই এখন কমবেশি স্বাস্থ্য সচেতন। সবাই জানেন, পেটভরে খাওয়া মানে বেশি ক্যালোরি গ্রহণ হয়ে গেল। আর একটা কথা খুব বেশি বসে থাকলে বা দীর্ঘক্ষণ বসে বসে থাকলেও ক্যালোরি খরচ কমে যায়। তাই সাধারণ জ্ঞানে বলতে পারেন, আহার ও জীবনযাপনের এই দুটো অভ্যাস থাকলে শরীরের ওজন বাড়বেই। যাহোক সাম্প্রতিক দুটো গবেষণা থেকে দেখা গেছে, বসে থাকা ও আহার এ দুটো অভ্যাস আলাদাভাবে কিরকম প্রভাব ফেলে শরীরের ওজন বাড়ার উপর। এ দুটো গবেষণার একটি থেকে দেখা গেছে, বেশ অনেকক্ষণ বসে থাকলে ওজন বাড়তে পারে শরীরের, আর অন্য গবেষণা থেকে দেখা গেছে, খুব তাড়াতাড়ি খেলেও কি করে ওজন বাড়ে।
ফ্রোজেন সোল্ডার বা কাঁধে ব্যথা একটি জটিল শারীরিক সমস্যা। ৩৫ থেকে ৭০ বয়সীদের মধ্যে এই সমস্যার বেশি দেখা যায়। পুরুষ এবং মহিলা সমানভাবে এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন।
সুস্থতার জন্য হাসি
- By Health Info
- শারিরিক ও মানসিক ফিটনেস
- Unrated
হাসি হাঁচি-কাশির চেয়েও সংক্রামক। তবে ক্ষতি নয়, স্বাস্থ্য সুবিধা অনেক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া সংজ্ঞা অনুযায়ী, স্বাস্থ্য হচ্ছে সম্পূর্ণ শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সুস্থতা। হাসি এই সংজ্ঞার সবদিকই পূরণ করে দিতে পারে। এনে দিতে পারে শারীরিক সুস্থতা, মানসিক সুস্থতা এবং সামাজিক সুস্থতা। সুতরাং হাসি চাইই চাই।
নিদ্রাহীন রাত নিয়ে যতই কাব্য, গান আর রোমান্স থাকুক না কেন, বাস্তব ক্ষেত্রে পরপর কয়েকদিন ‘আঁখিপাতে’ ঘুম না থাকলে আতঙ্ক হয়, শারীরিক ও মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়তে হয়। নিজের ওপর আস্থাটাই হারিয়ে যায়। তখন যেকোনোভাবে একটু ঘুমই শুধু কাম্য হয়ে ওঠে।
চাপ অর্থ অনুভূতি ও শারীরিক চাপ। এ দুটি একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। একটি বাড়লে আরেকটি বাড়ে, আরেকটি কমলে অন্যটি কমে। তাই এ লেখায় মানসিক চাপের কথা বেশি উল্লেখ করা হয়েছে। চাপ নির্ভর করে মানুষের আবেগের ওপর। আবার আবেগটা নির্ভর করে মানুষ তার পরিবেশ-পরিস্থিতি কী করে সামাল দেয় এর ওপর। বিভিন্ন রকমের মানুষ বিভিন্ন রকম উপায়ে পরিবেশ-পরিস্থিতিকে চাপপূর্ণ মনে করে।
একটা ভালো খবর শুনলে যেমন মনটা আনন্দে ভরে যায়, খারাপ কোনো ঘটনা বা খবরেও তেমনি মন খারাপ হতেই পারে। আবার কখনো এই ঘটনাগুলো বাইরের কিছু না হয়ে হতে পারে কোনো ভেতরের দ্বন্দ্ব, চিন্তা-ভাবনা এসব নানা কিছু। হতেই পারে তা অন্য কোনো রোগের সাথে যুক্ত একটা অনুভূতি। এই মন খারাপের ভাবটা যখন তার মাত্রায়, সময়ের মাপে অথবা প্রকাশে আসল কারণটাকে এমনভাবে ছাড়িয়ে যায় যে একটা অবুঝ না ভালো লাগা গোটা জীবনটাকেই নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে, আমরা তখন তাকে বিষাদ রোগ বলি।
শারিরিক ও মানসিক ফিটনেস