স্বাস্থ্যকথা

হৃৎযন্ত্র, রক্ত ও রক্তসংবহনতন্ত্র

(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »
হার্ট এটাকের যেসব উপসর্গ সেগুলো অনেকেই এখন জানেন, চিনতেও পারেন। ০ বুকব্যথা ০ শ্বাসকষ্ট ০ ঘাড়, পিঠ, চোয়াল ও হাত দিয়ে বেয়ে যাওয়া ব্যথা। এরপরও কথা আছে।
হৃদরোগ বলতে এখানে রক্তপ্রবাহ ব্যাঘাতজনিত হৃদরোগ বলা হচ্ছে। এ ধরনের রোগীদের আমরা চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকি। তার সাথে ধূমপানও বন্ধ করতে বলি। অনেক রোগী কি খাবেন, কি খাবেন না এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান।
বেঁটে মানুষদের জন্য একটি দুঃসংবাদ জানিয়েছেন দুই গবেষক। তাদের মতে, লম্বাদের তুলনায় বেঁটে মানুষদের করোনারি হার্ট ডিজিজ (coronery heart disease) হওয়ার আশঙ্কা ৫০ শতাংশ বেশি থাকে। যে রক্তনালীর মাধ্যমে হৃৎপিন্ড পুষ্টি নেয় সেখানে চর্বির আধিক্যে হৃৎপিন্ডে অপেক্ষাকৃত কম রক্ত প্রবাহিত হয়। কানাডিয়ান একজন যার উচ্চতা ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি তার হৃদরোগের আশঙ্কা একজন ৬ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট লোকের চেয়ে বেশি।
করোনারি হৃদরোগ বেশ কয়েকটি কারণে হতে পারে। সুতরাং এসব কারণের ভেতর থেকে মাত্র একটি কারণের চিকিৎসা করলে সফলতা লাভ করা সম্ভব নয়। যদি একটা কারণকে শেষ করে ভাল পরিণাম পেতে হয়, তাহলে সেই কারণের পেছনের লুকিয়ে থাকা সমস্যাকে পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
সাধারণত রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ পর্যবেক্ষণ করে হৃদরোগের ঝুঁকি নির্ণয় করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা রক্তের তিনটি প্রোটিন পরীক্ষা বা পরিমাপের মাধ্যমে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে হৃদরোগ নির্ণয় করা সম্ভব বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষস্থানীয় গবেষক ডা: আর্থার জেমস একে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বলে স্বীকার করলেও হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন, প্রোটিন পরীক্ষার পরামর্শ দেয়ার আগে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। মোট ১৩টি হাসপাতালের ১ হাজার ৪৫ জন রোগীর রক্তের প্রোটিন এপো-এ, এপো-বি এবং ডি-ডিমার পেঁপে গবেষকরা এ সিদ্ধান্তে এসেছেন।
রক্ত ধমনী বা রক্তনালীতে প্রবাহকালে রক্তনালীর গায়ে চাপ প্রয়োগ করে, এটাই রক্তচাপ। রক্তচাপ মাপার মেশিন দিয়ে এটা পরিমাপ করা হয়। হৃৎপিন্ড সঙ্কোচনের সময় সর্বোচ্চ রক্তচাপকে বলা হয় সিসটোলিক ব্লাড প্রেসার এবং হৃৎপিন্ডের সম্প্রসারণের সময় সর্বনিম্ন রক্তচাপকে বলা হয় ডায়াসটোলিক ব্লাড প্রেসার। একজন সুস্হ মানুষের রক্তচাপ ১২০/৮০ এর কাছাকাছি থাকে। সিসটোলিক প্রেসার ১২১ থেকে ১৩৯ পর্যন্ত এবং ডায়াসটোলি ৮১ থেকে ৮৯ পর্যন্ত প্রি হাইপারটেনশন আসন্ন উচ্চ রক্তচাপ
বেঁটে মানুষের মানসিক যন্ত্রণার শেষ নেই। ছেলেমেয়ে উভয়েই এ যন্ত্রণার শিকার। বিশেষ সময়ে বন্ধু-বান্ধব যখন সবাই লম্বা হয়ে যায়, তখনই বেঁটে মানুষের যন্ত্রণাটা শুরু হয়। ঠাট্টা করে বন্ধুরাও বেঁটেদের নানা নামে ডাকে। আবার বিয়ের বয়স হলে পাত্রী দেখা নিয়ে বেঁটে পুরুষদের যন্ত্রণার তীব্রতা আরো বেড়ে যায়। অথচ বেঁটে হওয়ার এমন কিছু কারণ আছে যেগুলো সময়মত চিকিৎসা করালে বেঁটে হওয়ার যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়া যেত। সেক্ষেত্রে মা-বাবারই করণীয় থাকে। অবশ্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বংশগত কারণে এমনটি হয়ে থাকে।
বিশ্বের একনম্বর মরণব্যাধি হৃদরোগ। কোনোরকম পূর্বাভাস ছাড়াই যেকোনো সময় এটি কেড়ে নিতে পারে মানুষের জীবন। বিশ্বের মোট মৃত্যুর অর্ধেকই হয় হার্টের রোগ ও স্ট্রোকে।

কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে আদা

রান্নাবান্নার কাজে আদা ব্যবহারের কথা রাঁধুনীদের কাছে অজানা নয়। মূলত সুগন্ধযুক্ত বলে এটি মসলা হিসাবে রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এর পাশাপাশি বর্তমানে বিভিন্ন গবেষণায় নানা রোগ প্রতিরোধে এর শক্তিশালী কার্যকর ভূমিকা প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক পরিচালিত এক গবেষণায় জানা গেছে, আদা রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কার্যকরভাবে কমাতে সাহায্য করে। মূলত রক্তে অধিক মাত্রার কোলেস্টেরলের উপস্থিতি হৃদরোগ সৃষ্টির বিভিন্ন কারণের মধ্যে বিশেষ একটি। গবেষকদের মতে, আদায় রয়েছে রক্ত জমাটবিরোধী গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা রক্তনালীর ভিতরের রক্ত জমাটে বাধা দান করে। এ ছাড়াও আদা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগ প্রতিরোধ সহজ হয়। সুতরাং আদার গুণ ভোলার নয়। ************************** দৈনিক ইত্তেফাক, ১৮ এপ্রিল ২০০৯।
সব মায়েরই প্রার্থনা, রোগবালাই যেন দূরে থাকে তাঁর খোকা থেকে। অনেক মা এমনও দোয়া করেন, খোকার যত অসুখ আমার হোক, তবু যেন খোকা সুস্থ থাকে। কিন্তু হিমোফিলিয়া রোগের বেলায় মা নিজের অজান্তে রোগটি বহন করেন এবং উত্তরাধিকারসূত্রে ছেলেকে দান করেন। মা নিজে এবং তাঁর মেয়েরা থাকেন সুস্থ। এ ক্ষেত্রে অবশ্য মেয়েদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন বলা চলে। তবে মেয়েরা যে একেবারে বিপদমুক্ত তা কিন্তু নয়। রোগ বহনকারী মেয়েরা যদি হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত কোনো পুরুষকে বিয়ে করে, তাহলে পরবর্তী সময়ে তার মেয়েরাও এ রোগে ভুগবে। তবে এর সংখ্যা অনেক কম। ১৭ এপ্রিল আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হলো হিমোফিলিয়া দিবস। বাংলাদেশে হিমোফিলিয়া সোসাইটি দিবসটি পালন করল।
(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »


No popular authors found.